স্নানের ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেল, এরপর চলে লাগাতার ধর্ষণ !

লখনউ: কয়েকদিন আগে বিজেপি নেতা স্বামী চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে এখ বছর ধরে লাগাতার ধর্ষণে করার অভিযোগ জানিয়েছিল উত্তর প্রদেশের শাহাজানপুরের আইনের এক ছাত্রী ৷ শনিবার আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনল ওই ছাত্রী ৷

আইনের ওই ছাত্রী জানান, স্নান করার সময় তার ভিডিও রেকর্ড করেন প্রাত্তন সাংসদ এবং পরে তা দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করত ৷ স্নান করার ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ৷ শুধু তাই নয় এমনকি ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ড করেন অভিযুক্ত ৷

নির্যাতিতার বাবা সম্প্রতি ৪৩টি ভিডিও ক্লিপ বিশেষ তদন্তকারী টিম সিটের কাছে জমা দিয়েছে ৷ এছাড়াও তথ্য প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগও জানিয়েছেন অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে ৷

তিনি আরও জানিয়েছেন, চিন্ময়ানন্দ তার মেয়েকে ব্ল্যাকমেল করে একাধিকবার ধর্ষণ করে ৷ এরপর তার মেয়ে ক্যামেরা লুকিয়ে রেখে সমস্ত ঘটনাটি রেকর্ড করেছে ৷

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিট সমস্ত ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য ফরেন্সিক টিমের কাছে জমা দিয়েছে ৷

সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে আচমকাই আক্রমণ চালায় পাকিস্তানি সেনারা !

#শ্রীনগর: শনিবার নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছিল পাকিস্তান ৷ আগ্রাসন দেখালেও শেষমেষ পিছু হঠতে বাধ্য হয় পাক সেনারা ৷ ভারতীয় সেনাদের সামনে সাদা পতাকা দেখাতেও বাধ্য হলেন তারা ৷ সংবাদ সংস্থা ANI সূত্রে পাওয়া একটি ভিডিও এমনই দৃশ্য দেখা গিয়েছে ৷

আচমকা পাকিস্তানের তরফ থেকে ফাইরিং শুরু হওয়ায় তার সামনে চলে আসে স্কুলের শিশুরা ৷ রাস্তায় আটকে পড়া শিশুদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার জওয়ানরা ৷ বালাকোটের সরকারি স্কুলে আটকে পড়া বাচ্চাদের উদ্ধার করে সেনার গাড়িতে তাদের ফাইয়ারিং রেঞ্জ থেকে দূরে সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় ৷ স্কুলের শিশুদের বাঁচানোর একটি ভিডিও সামনে এসেছে ৷

গত ১০-১১ সেপ্টেম্বর হাজিপুরে নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাক সেনারা ৷ তৎক্ষণাৎ পাল্টা জবাব দেন ভারতীয় সেনারা ৷ দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি বর্ষণে মৃত্যু হয় পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মোতায়েন এক পাক সেনার ৷ নিহতের নাম গুলাম রসুল ৷ তার দেহ উদ্ধারের চেষ্টায় নিকেশ আরও এক পাক জওয়ান ৷

তথ্যসূত্র: ANI

ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার জন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনটি সেরা?

ইংরেজিতে বেশ সুন্দর একটি উত্তর দেখলাম, তার উপর ভিত্তি করে লিখছি, অনুবাদ করলাম না কেননা বিষয়টি আরো সহজ করে বলতে চাচ্ছি। শুরু করা যাক!
সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে গুগল সেরা হলেও এটি ব্যবহারকারীর তথ্য জমা রাখে, আর কী কী সার্চ করলো তার উপর নজর রাখে, এরপর ব্যবহারকারীর মানসিকতার উপর ভিত্তি করে তার কাছে সে রকমের তথ্য হাজির করে, যা সে চায়। ব্যবহারকারীও খুশি, গুগলও খুশি। তবে ব্যাক্তি নিরাপত্তার জন্য এটা মারাত্মক হুমকি। কেননা এরা আপনাকে নজরদারিতে রাখছে, আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের হাতে থেকে যায়, যা দিয়ে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা খুব বেশি কঠিন নয়।
আবার কিছু কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে, তারা দাবী করে যে তারা ব্যাক্তি নিরাপত্তা এবং তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, তাই কখনো ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা, অবস্থান, যা যা সার্চ করেছে ইত্যাদি কোন তথ্যই জমা রাখে না, এমনকি দেখেও না। আবার কোন কোন সার্চ ইঞ্জিন দাবী করে তারা ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপটেড অবস্থায় রাখে, যা তারা চাইলেও দেখতে পারে না। ঠিক এ ধরণের সার্চ ইঞ্জিনকে নিরাপত্তার জন্য ভাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদের প্রাইভেট সার্চ ইঞ্জিন বলা হয়।

উপরের চিত্র থেকে প্রাইভেট সার্চ ইঞ্জিনের ইতিহাস সম্বন্ধে একটা ধারণা পাওয়া যায়। এখন মূল বিষয়ে আসা যাক।
ডাক ডাক গো (DuckDuckGo)

এদের বেশ কিছু নীতি রয়েছে, তাদের ভাষায়,
১. আমরা কখনই আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য(ডিভাইসের তথ্য) জমা করবো না।
২. বিজ্ঞাপন দেখাবো না।
৩. সাধারণ মোড বা প্রাইভেট মোড, কোন ক্ষেত্রেই আপনাকে অনুসরণ করবো না।
সার্চ এনক্রিপ্ট (Search Encrypt)

এদের স্লোগান হল, “আমরা আপনার ব্রাউজিং নিরাপদে রাখবো।” সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত কি কি সার্চ করেছেন তা দেখতে পারবেন। অর্থাৎ ৩০ মিনিট তথ্য সংরক্ষণ করবে, তবে এনক্রিপটেড অবস্থায়।
স্টার্ট পেজ (Start Page)

তাদের দাবী হল, “আমরা বিশ্বাস করি আপনার তথ্য একান্তই আপনার হওয়া উচিৎ, সে তথ্য অন্য কেউ আপনার তথ্য ব্যবহার করবে এমনটা ঠিক নয়।”
গিবিরু (Gibiru)

মানসম্মত এবং বেশ দ্রুত। আর নীতি মালাও চমৎকার। গুগলের এলগরিদম ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে, যা কখনো ট্র্যাক করবে না, বা আপনার আইপি বা অন্যান্য তথ্য ব্যবহার না করায় বদ্ধপরিকর।
সুইস কাউস (Swisscows)

দেখতে যেমন ভাল, ব্যবহারেও ভাল অনুভূতি। আর অবশ্যই কোন রকম ট্র্যাকিং বা তথ্য জমা বা চুরি যে করবে না যে ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

গুগল কীভাবে কোনো শব্দের কোটি-কোটি ফলাফল নিয়ে হাজির হয়?

গুগল বা যে কোন অনুসন্ধক (search engine) যে কাজগুলি করে তার বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে তা সংক্ষেপে বলি।
১. হামাগুড়ি (crawling): এটি একটি পদ্ধতি যা মাকড়সার মতো আন্তর্জাল (internet) বেয়ে আন্তর্জালের পাতাগুলিকে (webpages) একত্রিত করে।
২. সূচিবদ্ধকরণ (indexing): এটি আরেকটি পদ্ধতি যেটার মাধ্যমে সেই সব পাতা থেকে শব্দগুলিকে (words) কে আলাদ করে শব্দতালিকা (wordlist / dictionary) তৈরী করা হয়। এরপরে প্রত্যেক শব্দের জন্য কোন কোন পাতায় তারা রয়েছে তার একটি তালিকা করা হয় — যা দেখতে একদমই বইয়ের শেষে যে index থাকে তারই মতো।
৩. অনুসন্ধান (searching): একটি নতুন বইয়ের কোথায় একটি বিশেষ বিষয় আলোচিত আছে তা খুঁজতে আপনি যেমন index দেখেন ও তারপর সেই পাতায় যান – পাতাগুলোর অনুসন্ধান ঠিক সেভাবেই হয়। কিন্তু তাতে অনেক পাতায় উঠে আসে।
৪. অগ্রাধিকার করণ (ranking): অনুসন্ধক বা সার্চ ইঞ্জিনের এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ – এবং এর গুণবত্তার ওপরেই একটি অনুসন্ধকের ব্যবসায়িক বৰ্তমান ও ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। অনুসন্ধানের শেষে যে পাতাগুলো এলো যাদের মধ্যে আপনার খোঁজা শবদ বা শবদগুচ্ছ গুলো আছে কোন পাতাটি বেশি তথ্যসমৃদ্ধ এবং গ্রহণ যযোগ্য (more informative and acceptable ) — সেটি করাই এই অঙ্গের কাজ।
শবদ – শবদ মিল (term based similarity) অর্থাৎ আপনার প্রশ্নের শব্দের সাথে একটি পাতার মধ্যে থাকা শব্দের মিল, আপেক্ষিক অনুপাত – এসবের মাধ্যমে একটা সংখ্যাগত মিল অঙ্ক কষে বের করা হয়। কিন্তু, সেটা যথেষ্ট নয়।
আন্তর্জালের পাতাগুলি একে অপরের সাথে যুক্ত। সেই সংযোগের থেকেও একটা ধারণা পাওয়া যায় যে কোন পাতাটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেরকমই একটি algorithm -PageRank যা গুগলের প্রাথমিক যুগান্তকারী algorithm. কিন্তু আরো অনেক algorithms রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক?

বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট তৈরি এবং উৎক্ষেপণের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রযুক্তিবিদ বা সরকারের দাবি:

  • এই স্যাটেলাইটে প্রত্যন্ত এলাকায় টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত করা যাবে,
  • যারা ভি-স্যাট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করছেন তাদের কাজে ব্যবহৃত হবে এই স্যাটেলাইট,
  • এই স্যাটেলাইট বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারের জন্য কাজে দেবে, এবং
  • এই স্যাটেলাইট দিয়ে ডিটিএইচ সেবা অর্থাৎ বর্তমানে কেবল টিভির যে সংযোগ আছে সেটির মান উন্নয়ন করা যাবে।

তাত্বিকভাবে একটি স্যাটেলাইট দিয়ে অনেকভাবেই আয় কিংবা বিভিন্ন কাজে যুক্ত করা যাবে। দেশটি বাংলাদেশ বলেই একটু অস্বস্তি আছে।

স্যাটেলাইটের প্রথম কাস্টমার আপাতত মনে হচ্ছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। বর্তমানে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো অ্যাপস্টার সেভেন নামের একটি বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে। বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ বাংলাদেশের প্রতিটি টেলিভিশন স্টেশন মাসে ২৪ হাজার ডলার খরচ করে। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সবগুলো টেলিভিশন চ্যানেলের বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে মোট খরচের পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ ডলার। সে হিসেবে স্যাটেলাইট থেকে আয় করা সম্ভব, প্রথম থেকেই। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে অর্ধেক বিভিন্ন দেশের কাছে ভাড়া দেবার পরিকল্পনা আছে। বাকি অর্ধেক অর্থাৎ ২০টি ট্রান্সপন্ডার ব্যবহার করবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।

মূল সমস্যা যেখানে:

স্যাটেলাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা একটাই। সেটা হচ্ছে পরিচালনা কার্যক্রম। টেলিটক কিংবা দোয়েলের অবস্থা এক্ষেত্রে কল্পনা করা যায়।

প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ব্যবসা পরিচালনা করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আমাদের দেশের আমলাতন্ত্রের গতিশীলতা এক্ষেত্রে প্রশ্নই উঠতে পারে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং আর এয়ারবাসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সে প্রযুক্তি এমিরেটস বা সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে। অথচ বিমানের অবস্থা কেমন বলুন তো?

প্রশ্নটির উত্তরের সঙ্গে আসলে ম্যানেজমেন্টগত স্কিল জড়িত। একটি স্যাটেলাইট তখনই হয়তো লাভজনক হবে যখন এটি দক্ষ পরিচালকদের হাতে পারবে।

কম্পিউটারে আলাদা করে ডেডিকেটেট গ্রাফিক্স কার্ড থাকার সুবিধা ও অসুবিধা !

একটি কম্পিউটার যেমন CPU ছাড়া অচল ঠিক তেমনি ভাবে একজন গেমার কিংবা ভিডিও এডিটরের জন্য গ্রাফিক্স কার্ড ফরয ।
গ্রাফিক্স কার্ড টা আপনার জরুরি হয় মূলত গেমিং এবং ভিডিও এডিটের জন্য । একটা চরম সত্য হচ্ছে আপনার PC এর গেমিং এবিলিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স কার্ড এর চাইতে বেটার অপশন আর কিছু নেই ।
উপকারিতা
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড চলমান দুটি বাস্তব সুবিধা আছে। প্রাথমিক কারণ গেম বৃদ্ধি কর্মক্ষমতা। 3D ইমেজ রেন্ডারিংয়ে দুই বা তার বেশি গ্রাফিক্স কার্ড ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে, পিসি গেমগুলি উচ্চ ফ্রেমের হার এবং উচ্চ রেজোলিউশনগুলিতে এবং অতিরিক্ত ফিল্টারগুলি সহ চলতে পারে। এই নাটকীয়ভাবে গেম গ্রাফিক্স মান উন্নত করতে পারেন। অবশ্যই, অনেকগুলি বর্তমান গ্রাফিক্স কার্ড 1080p রেজোলিউশন পর্যন্ত একটি গেম রেন্ডার করতে পারে। প্রকৃত সুবিধা হল 4K প্রদর্শনের মতো উচ্চ রেজোলিউশনগুলিতে গেমগুলি চালানোর ক্ষমতা যা প্রস্তাবটি চারবার প্রস্তাব করে বা একাধিক মনিটর চালাতে পারে।
অসুবিধা
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড চলমান বড় অসুবিধা খরচ হয়। শীর্ষস্থানীয় গ্রাফিক্স কার্ডগুলি ইতিমধ্যে $ 500 বা তার বেশি পরিমাণে পৌঁছানোর সাথে সাথে, অনেকগুলি ভোক্তাদের দ্বিতীয়টি সামর্থ্যের পক্ষে কঠিন। এটিআই এবং এনভিডিয়া উভয়ই দ্বৈত কার্ডের সামর্থ্যের সাথে কম দামের কার্ডগুলি অফার করে, তবে কম দামের গ্রাফিক্স কার্ডের তুলনায় সমান বা কখনও কখনও ভাল কর্মক্ষমতা সহ একক কার্ডে একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা ভালো।
আধুনিক গ্রাফিক্স কার্ড ক্ষুধার্ত শক্তি। একটি সিস্টেমের মধ্যে তাদের দুটি প্রায় ট্যান্ডেম চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি উচ্চমাত্রার গ্রাফিক্স কার্ডটি সঠিকভাবে কাজ করার জন্য 500-ওয়াট পাওয়ার সরবরাহের প্রয়োজন হতে পারে। এই দুটি কার্ডের মধ্যে প্রায় 850 ওয়াট প্রয়োজন শেষ হতে পারে। বেশিরভাগ ভোক্তা ডেস্কটপ যেমন উচ্চ ওয়াটেজ শক্তি সরবরাহ সঙ্গে সজ্জিত না। ফলস্বরূপ, একাধিক কার্ড চালানোর জন্য জাম্পিং করার আগে আপনার কম্পিউটারের ওয়েটেজ এবং প্রয়োজনীয়তাগুলির সাথে পরিচিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, একাধিক ভিডিও কার্ড চলমান আরো তাপ এবং আরো শব্দ উত্পাদন করে।
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড থাকার প্রকৃত কর্মক্ষমতা সুবিধা কম্পিউটার সিস্টেমের অন্যান্য উপাদানগুলির উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। এমনকি সর্বোচ্চ স্তরের গ্রাফিক্স কার্ডগুলির সাথেও, কম-প্রান্ত প্রসেসরটি গ্রাফিক্স কার্ডগুলিতে সরবরাহ করা তথ্যগুলির পরিমাণকে হ্রাস করতে পারে। ফলস্বরূপ, দ্বৈত গ্রাফিক্স কার্ডগুলি সাধারণত উচ্চ-শেষ সিস্টেমে সুপারিশ করা হয়।

ক্রিকেট খেলা অলিম্পিকে না হওয়ার কারণ কী?

ক্রিকেট খেলার বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা আসলে খুবই কম, এবং আমার মনে হয় খেলাটাকে ভারতীয় উপমহাদেশে অতিমূল্যায়িত করা হয়েছে। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কাছেই ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁপোকা। যেই অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেই অস্ট্রেলিয়াতেই জনপ্রিয়তার দিক থেকে ক্রিকেটের অবস্থান রাগবি এবং ফুটবলেরও নিচে। এখন ইংল্যান্ডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলছে, অথচ ইংলিশ সংবাদমাধ্যমগুলোতেও বিশ্বকাপ নিয়ে ততোখানি উত্তাপ নেই যতোটা আমাদের সংবাদমাধ্যমগুলোতে আছে।
 
বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা কম হওয়ার বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ আছে। সবচেয়ে বড় কারণ অবশ্যই খেলাটার লম্বা দৈর্ঘ্য। আদিকালে ক্রিকেট খেলাটা হতো টাইমলেস টেস্ট ফর্ম্যাটে, অর্থাৎ জয়-পরাজয়ের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত খেলাটা অনন্তকাল ধরেও চালানো যেতো। সবচেয়ে বড় ‘টাইমলেস’ টেস্ট হয় ১৯৩৯ সালে ডারবানে ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে, যেই টেস্ট ১০ দিন ধরে খেলার পরেও কোনো ফলাফল আসেনি। একাদশ দিনে ইংল্যান্ডের জিততে ৫ উইকেটে মাত্র ৪২ রান দরকার ছিলো, কিন্তু জাহাজ ধরার তাড়ায় খেলা অসমাপ্ত রেখেই ইংল্যান্ড দলকে বাড়ি ফিরতে হয়। এরপর ৫ দিনের টেস্ট এসেছে, কিন্তু তাতেও অনেক ক্ষেত্রেই জয়-পরাজয় অমীমাংসিত থেকে যায়। তারপর যথাক্রমে ওয়ানডে আর টি-২০ আসলো, কিন্তু একটা টি-২০ ম্যাচ খেলতেও ৪/৫ ঘণ্টা সময় লাগে, যেটা অন্য যেকোনো খেলার তুলনায়ই বেশি। টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য যদি বিবেচনা করা হয় – ২০১৬ রিও অলিম্পিক ১৭ দিনেই শেষ হয়ে গিয়েছিলো, অথচ এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দৈর্ঘ্য প্রায় দেড় মাস।
 
আরেকটা কারণ হচ্ছে ক্রিকেট খেলাটা অনেক ব্যয়বহুল। ক্রিকেটটা ঠিক সর্বজনীন না, ক্রিকেটের উদ্ভাবকেরাই Gentleman’s Game ট্যাগের আড়ালে খেলাটাকে সাধারণ জনতার থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। অলিম্পিকে যেসব খেলা হয় তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আপনি সব ধরনের মানুষের অংশগ্রহণ দেখতে পারবেন, কিন্তু ক্রিকেটে বিত্তবান পরিবার থেকে উঠে আসা ছেলেমেয়েদেরই বেশি দেখা যায়। একজন গরিব পরিবারের ছেলের পক্ষে ক্রিকেটের নানারকম সরঞ্জাম কিনে অনুশীলন করাটা খুবই কঠিন। একটা ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করতেও অন্য খেলার তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। অলিম্পিকের এতোগুলো দেশের এতোরকম খেলার আয়োজন মাত্র একটা শহরেই করা হয়, অন্যদিকে প্রথম তিনটি আসর বাদে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সবগুলো আসরই হয়েছে একাধিক দেশে।
 
ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা কম হওয়ার সবচেয়ে বড় দায় বিশ্বক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা আইসিসিরই। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে দলের সংখ্যা কখনোই কমেনি, বরং বেড়েছে – বর্তমানে ৩২ দল নিয়ে খেলা হয় এবং ফিফা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সংখ্যাটাকে বাড়িয়ে ৪৮ করার, সারা বিশ্বে ফুটবলকে আরো বেশি ছড়িয়ে দিতে। সেখানে আইসিসি হাঁটছে উল্টো পথে, প্রতিযোগিতা বাড়ানোর কথা বলে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। বিগ থ্রি, দ্বিস্তরী টেস্ট – এরকম নানা ধরনের ষড়যন্ত্রই করা হয়েছে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া দেশগুলোর মধ্যেও ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ কমানোর জন্য। টেস্ট স্ট্যাটাস নামের কৌলীন্যপ্রথাটাই নতুন ক্রিকেট খেলতে আসা যেকোনো দেশের জন্য হতাশাজনক। এসব কারণেই ক্রিকেট কখনো সর্বজনীন হয়ে উঠতে পারেনি, এবং এজন্যই অদূর বা সুদূর কোনো ভবিষ্যতেই ক্রিকেটকে অলিম্পিকে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য।
 

তবে অলিম্পিকে ক্রিকেট যে কখনোই হয়নি তাও নয়। একবারই হয়েছিলো ১৯০০ সালে, যেখানে শুধু গ্রেট ব্রিটেন আর ফ্রান্স অংশ নিয়েছিলো এবং দুইদিনের ম্যাচে ফ্রান্সকে ১৫৮ রানে হারিয়ে গ্রেট ব্রিটেন স্বর্ণপদক জিতেছিলো।
ফুটনোটগুলি

[1] Playing time (cricket) – Wikipedia
[2] Cricket at the 1900 Summer Olympics – Wikipedia

বরফের সাথে লবণের শত্রুতা ! লবণ কেন তুষার ও বরফকে গলিয়ে দেয়?

আসলে, লবণ জলের তাপমাত্রা হ্রাস করতে কাজ করে। লবণাক্ত জল জমে থাকা বিশুদ্ধ জলের তুলনায় একটি ঠান্ডা তাপমাত্রা পৌঁছানোর জন্য বেশি কার্যকরী। সেই অবস্থায় খুব লবণাক্ত জল থেকে বরফ তৈরি করার জন্য, তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে না যাওয়া পর্যন্ত তা স্থির হবে না।

শীতকালে বরফে ঢাকা রাস্তাগুলিকে নিরাপদ রাখতে জলের নিরবচ্ছিন্ন বিন্দুর সাথে লবণের ব্যবহার করা হয়। বরফ ও তুষারপাতের সময় ট্রাকগুলি রাস্তাঘাটে লবণের পাতলা স্তর ছড়িয়ে দেয়। লবণ বরফকে প্রভাবের ফলে জমানোর পরিবর্তে দ্রবীভূত করে তোলে, এবং রাস্তাগুলিকে ভিজিয়ে তুলে বিপদ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।

সোডিয়াম ক্লোরাইড ছাড়া অন্য বিভিন্ন ধরণের লবণও তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:— ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এবং ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড। (তবে, ঠান্ডা জল হিমায়িত হওয়ার আগে কী হতে পারে তা তাপমাত্রা এবং আবহাওয়ার ওপর সীমাবদ্ধ; অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রায় ঘর্ষণ বাড়ানোর জন্য রাস্তায় বালির প্রয়োগ লবণ প্রয়োগের চেয়ে আরও বেশি কার্যকরী।)

কেন ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বিভিন্ন পদার্থ ব্যবহার করা হয়, তা জানতে আপনি নিশ্চই আগ্রহী? এর কারণ, এই উপাদানগুলি জলের হিমায়ক পয়েন্টকে (freezing point) আরও হ্রাস করতে সাহায্য করে। কিভাবে লবনাক্ত সল্যুশন কাজ করে সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য এখানে একটি খুব সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হল:

  • 10% লবনাক্ত সল্যুশনে, জল 20°F (-6°C)-এ জমে যায়
  • 20% লবনাক্ত সল্যুশনে, জল 2°F (-16°C)-এ জমে যায়

ফলস্বরূপ লবণাক্ত-বরফ আসলে সাধারণ বরফের চেয়েও শীতল। আইসক্রিম তৈরির জন্য দুধ এবং চিনিকে ঠাণ্ডা করার সময় বরফ এবং লবণের এই গুণটিকে কাজে লাগানো হয়।

একটি পুরানো আমলের আইসক্রিম-মেকারে লবণ এবং বরফের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয় কারণ, লবণ বরফকে গলিয়ে তার তাপমাত্রা হ্রাস করে, এবং আইসক্রিম ধরে রাখার পাত্রটির চারপাশে একটি ঠান্ডা বরফের স্তর তৈরি করে। তাছাড়া, লবণাক্ত বরফ উপাদান থেকে ‘তাপ’ এবং ক্রিম তৈরি করার সময়ে যে ‘ঘর্ষণ’ সৃষ্টি হয়, তা শোষণ করে। তাই এই প্রক্রিয়া চলাকালীন বরফ এবং লবণ যোগ করা আবশ্যক।

(চিত্রের উৎস: Getty images, Pinterest)

গুগল কি যেকোন মুহূর্তে আপনার অবস্থান সনাক্ত করতে পারে?

পুরো ব্যাপারটা বোঝাতে গেলে অনেক কিছু বলতে হবে । আমি সংক্ষেপে কিছু কথা বলব। Location Detect করা হয় GPS(Global Positioning System) এর মাধ্যমে। এই ডিভাইসটি আপনি যেই স্থানে আছেন সেই স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ স্যাটেলাইট থেকে নিয়ে লোকেশান Calculate করে। এ জন্য কোন ইন্টারনেট Connection প্রয়োজন নেই। আর এটা মোবাইলসহ বিভিন্ন লোকেশান ট্র্যাকিং ডিভাইসে ইন্টারনালি ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। বর্তমানে GPS এর সাথে আরও অনেক আধুনিক ডিভাইসও ব্যবহার করা হয়।
এখন আসি গুগল কি করে?
আপনার ব্যবহৃত মোবাইলে অপশন আছে লোকেশান Enable/Disable এর অপশন আছে। Enable করলে তো এমনিতেই আপনার লোকেশান তারা যেনে যাবে। আর Disable করা থাকলেও গুগলের বিভিন্ন Third Party অ্যাপ আপনার লোকেশান সংগ্রহ করে থাকে। আর কোন অ্যাপ কিভাবে করে তা বোঝা এত সহজও না ।বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেসে এগুলো অনেক সময় Encrypted থাকে। গুগল একেবারে ক্লিয়ার করে তাদের লোকেশান ট্র্যাকিং সম্পর্কে ১০০% তথ্য দেয়ও না। এই লোকেশান অনেক ক্ষেত্রেই আপনার পরিবেশ অনুযায়ী অ্যাড দিতেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া Privacy, Security জনিত কাজেও ব্যবহার করা হয়। খুব ইম্পরট্যান্ট না হলে এগুলো তেমন ক্ষতির কিছু না।
আপনি যদি একান্তই এগুলো থেকে দূরে সরে থাকতে চান তাহলে এইসব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকতে হবে। তা না হলে আপনি কখনই ১০০% Privacy আসা করতে পারেন না।
আপনি যদি Android phone ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে Google আপনাকে আপনার থেকে বেশি জানে।Google সবসময় আপনাকে track করছে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে:

  1. আপনি GPS Location বন্ধ রাখলেও পেছন থেকে Operating system আপনার location Google কে পাঠাচ্ছে।
  2. আপনার mobile phone টা যেই tower এর সাথে linked, সেই tower এর unique ID Google এর কাছে যাচ্ছে, এতে করে আপনার location ওরা পাচ্ছে।
  3. আপনি যদি আপনার Internet চালু রাখেন, তখন আপনার জন্য যেই IP টা ধার্য্য করা হয়েছে সেটা থেকেও আপনার location টা আনুমানিক trace করতে পারছে। মনে রাখবেন আপনার জন্য ধার্য্য করা IP ওই সময়ের জন্য আপনারই। একই IP এই বিশ্বে অন্য কাওকে দেওয়া হয় না। এটাকে geolocation সিস্টেম বলে।
  4. Google শুধু আপনার location trace করছে না, আপনার mobile এ আসা সব message, Gmail এ আসা সব mail ও পরছে। Google খুব ভালো করেই জানে আপনার ব্যাংক account এর নম্বরটা কি আর এতে কত টাকা আছে।

ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসার উপায় ! নিজেই নিজেকে কিভাবে সাহায্য করবেন ?

কিছুক্ষণ হলো একজনকে এমনই কথা বলছিলাম। বেশি কিছু না, ডিপ্রেশন যে কারণে হয় বা যে বস্তুর দ্বারা হয় অথবা প্রেমঘটিত হোক যাই হোক সেগুলোকে এড়িয়ে চলুন। যা যা এড়িয়ে চলার জন্য লাগে সে সব উপাদানকে দূরে সরিয়ে রাখুন।

দ্বিতীয়ত, নিজেকে মানসিকভাবে নিজের সাপোর্ট দেওয়াটা অতি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি যে আসলে সবার চেয়ে আলাদা এবং ইউনিক যা আপনাকে প্রশান্তি দিবে।

তৃতীয়ত, একটা মুভি দেখুন কষ্ট করে হলেও, বিজি থাকবেন সে পৃথিবীতে। এটা আমার ক্ষেত্রে কাজে দেয় বেশ-যতোবারই ডিপ্রেশন ততোবারই মুভি আমার জন্য। যেমন আমার ১৩ তারিখ এক্সাম, এই চিন্তায় বাচি না ডিপ্রেশনে বাট একটা মুভি দেখলাম “দ্যা গ্রিন বুক” বেশ ভালোই লাগছে দেখার পর এবং রিলাক্স হতে পারছি।

চতুর্থত, এর বাহিরে গেলে একটু নিজেকে বাহিরে বের করুন ঘর থেকে এবং নিজেকে খুব বিজি রাখিন যেকোনো কাজে, পারিশ্রমিক কাজে মানুষের ডিপ্রেশন থাকে সবচেয়ে নগণ্য পরিসরে। আমি মাঝে মাঝে এই যাত্রায় ব্যায়াম করি ও ফুটবল খেলি যা আমার মানসিক অবস্থাকে ব্যস্ত রাখে চরমভাবে। মানুষের সাথে আড্ডা, ঘুরাফিরা, পরিবারের মানুষের সাথে হাসি মজা করুন বা আড্ডা দিন। এটি আপনাকে একেবারেই রিলাক্স করে ফেলবে। আমি ভার্সিটির অন্যান্য কাজে যখন খুব প্রেসার খাই বাসায় এসে মায়ের সাথে অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে বেশ জোরে সোরে হাসি ঠাট্টা করি আর কথা বলি, শেয়ার করি কিছু জিনিস। অবিশ্বাস্য এটা উলটো আত্নবিশ্বাস দেয় আমাকে।
কিছু বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছি । একটু চেষ্টা করে দেখতে পারেন ..

  1. খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে দৌড়ান । জিমে যান ,ভারী ব্যায়াম করুন । শরীরের উপর প্রেসার দিন । শরীরকে যত পারেন কষ্ট দিন । এই ব্যাপারটা আপনার মন কে শান্ত করবে । সারাদিন খুব ভালো ফিল করবেন ।
  2. ফেসবুক , হোয়াটস অ্যাপ সহ সকল সোস্যাল মিডিয়া কাস্টোমাইজ করে ব্যাবহার করুন । অপ্রয়োজনে এসব ব্যাবহার করবেন না । গত এক বছর ফেসবুক ব্যাবহার অনেক কমিয়ে দিয়েছি ।
  3. বই পড়ুন । ভালো বই পড়লে দেখবেন আপনার ফিলিংস হবে এরকম আজকে সময়টা বেশ কাজে লাগালাম।
  4. পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন । দূধ,কলা ,ডিম ,মাছ এসব খাবার চেষ্টা করুন নিয়মিত । আমাদের ব্রেইন একটিভ থাকার জন্যে ডোপামিন নামক হরমোন দরকার পরে । এই ডোপামিন উপরের ওই খাবারে পাবেন । এটা আপনার ব্রেইন এর নিউরন সচল রাখবে , হতাশ হতাশ ফিলিংস টাও থাকবে না ।
  5. পরিমিত মাত্রায় চিনি খাবেন , যত টুক না খেলেই না এমন আর কি । অতিরিক্ত চিনি অনেক সময় ব্রেইন কে ব্লক করে দেয়।
  6. ইন্টারনেট এ হাবিজাবি দেখা বন্ধ করুন ,সব কিছুর একটা মাত্রা আছে । নিশ্চয় বুঝেছেন কি বলতে চেয়েছি ! সব কিছু খুলে বলতে হবে নাকি ?
  7. পরিমিত মাত্রায় ঘুমের অভ্যেস করুন ,না ঘুমিয়ে মোবাইল টিপে নিজের ব্রেইন টাকে খাবেন না ।
  8. খুব গুরত্বপূর্ণ নেগেটিভ মাইন্ড এর মানুষ থেকে যত সম্ভব দূরে থাকুন । এই মানুষ গুলো যেই হোক না কেনো ? হতে পারে আপনার কাছের খুব ভালো বন্ধু , বোন, বড় কেউ আপনাকে মানুষিক ভাবে খাবার জন্য এদের মুখ থেকে বের হওয়া দুই এক লাইন ই যথেষ্ট
  9. নিজের মানুষিক আর শারিরীক স্বাস্থের যত্ন নিন …. !