বাংলাদেশে চালু হলো ফেসবুকের বিকল্প এলআইলুক

বর্তমান প্রজন্মের ৯৫% মানুষ আজ প্রযুক্তিমুখী যার বিশাল অংশ যুক্ত রয়েছে সোস্যাল মিডিয়া অর্থ্যাৎ ফেসবুক,টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে। এগুলোর সবগুলোই বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে এই প্রথম তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের মতো সোস্যাল মিডিয়া এলআইলুক । বড় পরিসরে প্রথম বাংলাদেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।ওয়েবসাইট allylook.com এর মাধ্যমে পূর্ণ সদস্য হতে পারবে যে কেউ এবং এক্সেস করতে পারবে ফেসবুকের মতো প্রায় সব ফিচার।

শুরু থেকেই এর ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন নতুন নতুন সব ফিচার। আর তথ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে যোগাযোগের সব চাহিদাই মেটাতে চান এর উদ্যোক্তারা। ডিজিটাল মার্কেটিং সহ দারুনসব ফিচার নিয়ে পূর্ণরুপে সচর হতে চলেছে সম্পুর্ণ দেশী সোস্যাল মিডিয়া সাইট ৷

ব্যবহারকারীরা সন্তুষ্ট এবং দেশের প্লাটফর্ম হিসেবে গর্ববোধ করছে, তবে তারা ইন্টারফেসের এবং অ্যাপ ইউটিলিটির উপর জোড় দিতে তাগিদ দিয়েছেন।

তবে ফেসবুকের মত এতো বড় প্লাটফর্মের পাশাপাশি জেনারেশনের কে এলআইলুক মুখী করতে আরও জোড় দিতে হবে এর উন্নয়নে৷ এ ধরনের বড় উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে এখনও প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ, বলে মনে করেন প্রযুক্তিবিদরা।

এক ছাগলের আট ছানা দেখেননি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় একটি ছাগল একসঙ্গে আটটি ছানা জন্ম দিয়েছে। আর এসব ছানা দেখতে আশপাশের এলাকার উৎসুক মানুষ ভিড় করছে। শনিবার উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের নিজ গড্ডিমারী গ্রামে কৃষক মোসলেম উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কৃষক মোসলেম উদ্দিনের পোষা ছাগল শনিবার দুপুরে আটটি ছানা প্রসব করে। সব কটি ছানা সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ছাগলের ছানাগুলো দেখতে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক?

বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট তৈরি এবং উৎক্ষেপণের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রযুক্তিবিদ বা সরকারের দাবি:

  • এই স্যাটেলাইটে প্রত্যন্ত এলাকায় টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত করা যাবে,
  • যারা ভি-স্যাট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করছেন তাদের কাজে ব্যবহৃত হবে এই স্যাটেলাইট,
  • এই স্যাটেলাইট বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারের জন্য কাজে দেবে, এবং
  • এই স্যাটেলাইট দিয়ে ডিটিএইচ সেবা অর্থাৎ বর্তমানে কেবল টিভির যে সংযোগ আছে সেটির মান উন্নয়ন করা যাবে।

তাত্বিকভাবে একটি স্যাটেলাইট দিয়ে অনেকভাবেই আয় কিংবা বিভিন্ন কাজে যুক্ত করা যাবে। দেশটি বাংলাদেশ বলেই একটু অস্বস্তি আছে।

স্যাটেলাইটের প্রথম কাস্টমার আপাতত মনে হচ্ছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। বর্তমানে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো অ্যাপস্টার সেভেন নামের একটি বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে। বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ বাংলাদেশের প্রতিটি টেলিভিশন স্টেশন মাসে ২৪ হাজার ডলার খরচ করে। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সবগুলো টেলিভিশন চ্যানেলের বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে মোট খরচের পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ ডলার। সে হিসেবে স্যাটেলাইট থেকে আয় করা সম্ভব, প্রথম থেকেই। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে অর্ধেক বিভিন্ন দেশের কাছে ভাড়া দেবার পরিকল্পনা আছে। বাকি অর্ধেক অর্থাৎ ২০টি ট্রান্সপন্ডার ব্যবহার করবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।

মূল সমস্যা যেখানে:

স্যাটেলাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা একটাই। সেটা হচ্ছে পরিচালনা কার্যক্রম। টেলিটক কিংবা দোয়েলের অবস্থা এক্ষেত্রে কল্পনা করা যায়।

প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ব্যবসা পরিচালনা করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আমাদের দেশের আমলাতন্ত্রের গতিশীলতা এক্ষেত্রে প্রশ্নই উঠতে পারে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং আর এয়ারবাসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সে প্রযুক্তি এমিরেটস বা সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে। অথচ বিমানের অবস্থা কেমন বলুন তো?

প্রশ্নটির উত্তরের সঙ্গে আসলে ম্যানেজমেন্টগত স্কিল জড়িত। একটি স্যাটেলাইট তখনই হয়তো লাভজনক হবে যখন এটি দক্ষ পরিচালকদের হাতে পারবে।

চলতি মাসেই আরো একটি স্প্যান বসতে যাচ্ছে, দৈর্ঘ্য আরও বাড়ছে পদ্মা

মাত্র ১৩ দিনের ব্যবধানে আরও দৈর্ঘ্য বাড়তে যাচ্ছে পদ্মা সেতুর। আগামী ২৩ এপ্রিল জাজিরা প্রান্তে আরেকটি স্প্যান বসানো হতে পারে।

১১তম স্প্যানটি ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হবে। স্প্যানটি বসানো হলে পদ্মা সেতুর ১ হাজার ৬৫০ মিটার অংশ দৃশ্যমান হবে। পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২২ এপ্রিল ভাসমান ক্রেন দিয়ে জাজিরার দিকে স্প্যানটি নেওয়ার কাজ শুরু হবে। পরদিন ২৩ এপ্রিল আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে স্প্যানটি বসানো হবে।

সবশেষ ১০ এপ্রিল মাওয়া প্রান্তে ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারের ওপর দশম স্প্যানটি বসানো হয়। এই স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতু এখন ১ হাজার ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যে রূপ নিয়েছে।

এইভাবে এক এক করে এগিয়ে যাক কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু।