বাংলাদেশে চালু হলো ফেসবুকের বিকল্প এলআইলুক

বর্তমান প্রজন্মের ৯৫% মানুষ আজ প্রযুক্তিমুখী যার বিশাল অংশ যুক্ত রয়েছে সোস্যাল মিডিয়া অর্থ্যাৎ ফেসবুক,টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে। এগুলোর সবগুলোই বিদেশি প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে এই প্রথম তৈরি হচ্ছে ফেসবুকের মতো সোস্যাল মিডিয়া এলআইলুক । বড় পরিসরে প্রথম বাংলাদেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।ওয়েবসাইট allylook.com এর মাধ্যমে পূর্ণ সদস্য হতে পারবে যে কেউ এবং এক্সেস করতে পারবে ফেসবুকের মতো প্রায় সব ফিচার।

শুরু থেকেই এর ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন নতুন নতুন সব ফিচার। আর তথ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে যোগাযোগের সব চাহিদাই মেটাতে চান এর উদ্যোক্তারা। ডিজিটাল মার্কেটিং সহ দারুনসব ফিচার নিয়ে পূর্ণরুপে সচর হতে চলেছে সম্পুর্ণ দেশী সোস্যাল মিডিয়া সাইট ৷

ব্যবহারকারীরা সন্তুষ্ট এবং দেশের প্লাটফর্ম হিসেবে গর্ববোধ করছে, তবে তারা ইন্টারফেসের এবং অ্যাপ ইউটিলিটির উপর জোড় দিতে তাগিদ দিয়েছেন।

তবে ফেসবুকের মত এতো বড় প্লাটফর্মের পাশাপাশি জেনারেশনের কে এলআইলুক মুখী করতে আরও জোড় দিতে হবে এর উন্নয়নে৷ এ ধরনের বড় উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে এখনও প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ, বলে মনে করেন প্রযুক্তিবিদরা।

ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার জন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনটি সেরা?

ইংরেজিতে বেশ সুন্দর একটি উত্তর দেখলাম, তার উপর ভিত্তি করে লিখছি, অনুবাদ করলাম না কেননা বিষয়টি আরো সহজ করে বলতে চাচ্ছি। শুরু করা যাক!
সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে গুগল সেরা হলেও এটি ব্যবহারকারীর তথ্য জমা রাখে, আর কী কী সার্চ করলো তার উপর নজর রাখে, এরপর ব্যবহারকারীর মানসিকতার উপর ভিত্তি করে তার কাছে সে রকমের তথ্য হাজির করে, যা সে চায়। ব্যবহারকারীও খুশি, গুগলও খুশি। তবে ব্যাক্তি নিরাপত্তার জন্য এটা মারাত্মক হুমকি। কেননা এরা আপনাকে নজরদারিতে রাখছে, আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের হাতে থেকে যায়, যা দিয়ে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা খুব বেশি কঠিন নয়।
আবার কিছু কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে, তারা দাবী করে যে তারা ব্যাক্তি নিরাপত্তা এবং তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, তাই কখনো ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা, অবস্থান, যা যা সার্চ করেছে ইত্যাদি কোন তথ্যই জমা রাখে না, এমনকি দেখেও না। আবার কোন কোন সার্চ ইঞ্জিন দাবী করে তারা ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপটেড অবস্থায় রাখে, যা তারা চাইলেও দেখতে পারে না। ঠিক এ ধরণের সার্চ ইঞ্জিনকে নিরাপত্তার জন্য ভাল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদের প্রাইভেট সার্চ ইঞ্জিন বলা হয়।

উপরের চিত্র থেকে প্রাইভেট সার্চ ইঞ্জিনের ইতিহাস সম্বন্ধে একটা ধারণা পাওয়া যায়। এখন মূল বিষয়ে আসা যাক।
ডাক ডাক গো (DuckDuckGo)

এদের বেশ কিছু নীতি রয়েছে, তাদের ভাষায়,
১. আমরা কখনই আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য(ডিভাইসের তথ্য) জমা করবো না।
২. বিজ্ঞাপন দেখাবো না।
৩. সাধারণ মোড বা প্রাইভেট মোড, কোন ক্ষেত্রেই আপনাকে অনুসরণ করবো না।
সার্চ এনক্রিপ্ট (Search Encrypt)

এদের স্লোগান হল, “আমরা আপনার ব্রাউজিং নিরাপদে রাখবো।” সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট পর্যন্ত কি কি সার্চ করেছেন তা দেখতে পারবেন। অর্থাৎ ৩০ মিনিট তথ্য সংরক্ষণ করবে, তবে এনক্রিপটেড অবস্থায়।
স্টার্ট পেজ (Start Page)

তাদের দাবী হল, “আমরা বিশ্বাস করি আপনার তথ্য একান্তই আপনার হওয়া উচিৎ, সে তথ্য অন্য কেউ আপনার তথ্য ব্যবহার করবে এমনটা ঠিক নয়।”
গিবিরু (Gibiru)

মানসম্মত এবং বেশ দ্রুত। আর নীতি মালাও চমৎকার। গুগলের এলগরিদম ব্যবহার করে তৈরী করা হয়েছে, যা কখনো ট্র্যাক করবে না, বা আপনার আইপি বা অন্যান্য তথ্য ব্যবহার না করায় বদ্ধপরিকর।
সুইস কাউস (Swisscows)

দেখতে যেমন ভাল, ব্যবহারেও ভাল অনুভূতি। আর অবশ্যই কোন রকম ট্র্যাকিং বা তথ্য জমা বা চুরি যে করবে না যে ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

গুগল কীভাবে কোনো শব্দের কোটি-কোটি ফলাফল নিয়ে হাজির হয়?

গুগল বা যে কোন অনুসন্ধক (search engine) যে কাজগুলি করে তার বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে তা সংক্ষেপে বলি।
১. হামাগুড়ি (crawling): এটি একটি পদ্ধতি যা মাকড়সার মতো আন্তর্জাল (internet) বেয়ে আন্তর্জালের পাতাগুলিকে (webpages) একত্রিত করে।
২. সূচিবদ্ধকরণ (indexing): এটি আরেকটি পদ্ধতি যেটার মাধ্যমে সেই সব পাতা থেকে শব্দগুলিকে (words) কে আলাদ করে শব্দতালিকা (wordlist / dictionary) তৈরী করা হয়। এরপরে প্রত্যেক শব্দের জন্য কোন কোন পাতায় তারা রয়েছে তার একটি তালিকা করা হয় — যা দেখতে একদমই বইয়ের শেষে যে index থাকে তারই মতো।
৩. অনুসন্ধান (searching): একটি নতুন বইয়ের কোথায় একটি বিশেষ বিষয় আলোচিত আছে তা খুঁজতে আপনি যেমন index দেখেন ও তারপর সেই পাতায় যান – পাতাগুলোর অনুসন্ধান ঠিক সেভাবেই হয়। কিন্তু তাতে অনেক পাতায় উঠে আসে।
৪. অগ্রাধিকার করণ (ranking): অনুসন্ধক বা সার্চ ইঞ্জিনের এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ – এবং এর গুণবত্তার ওপরেই একটি অনুসন্ধকের ব্যবসায়িক বৰ্তমান ও ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। অনুসন্ধানের শেষে যে পাতাগুলো এলো যাদের মধ্যে আপনার খোঁজা শবদ বা শবদগুচ্ছ গুলো আছে কোন পাতাটি বেশি তথ্যসমৃদ্ধ এবং গ্রহণ যযোগ্য (more informative and acceptable ) — সেটি করাই এই অঙ্গের কাজ।
শবদ – শবদ মিল (term based similarity) অর্থাৎ আপনার প্রশ্নের শব্দের সাথে একটি পাতার মধ্যে থাকা শব্দের মিল, আপেক্ষিক অনুপাত – এসবের মাধ্যমে একটা সংখ্যাগত মিল অঙ্ক কষে বের করা হয়। কিন্তু, সেটা যথেষ্ট নয়।
আন্তর্জালের পাতাগুলি একে অপরের সাথে যুক্ত। সেই সংযোগের থেকেও একটা ধারণা পাওয়া যায় যে কোন পাতাটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেরকমই একটি algorithm -PageRank যা গুগলের প্রাথমিক যুগান্তকারী algorithm. কিন্তু আরো অনেক algorithms রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক?

বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট তৈরি এবং উৎক্ষেপণের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে বাংলাদেশ সরকার।
প্রযুক্তিবিদ বা সরকারের দাবি:

  • এই স্যাটেলাইটে প্রত্যন্ত এলাকায় টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত করা যাবে,
  • যারা ভি-স্যাট ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করছেন তাদের কাজে ব্যবহৃত হবে এই স্যাটেলাইট,
  • এই স্যাটেলাইট বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারের জন্য কাজে দেবে, এবং
  • এই স্যাটেলাইট দিয়ে ডিটিএইচ সেবা অর্থাৎ বর্তমানে কেবল টিভির যে সংযোগ আছে সেটির মান উন্নয়ন করা যাবে।

তাত্বিকভাবে একটি স্যাটেলাইট দিয়ে অনেকভাবেই আয় কিংবা বিভিন্ন কাজে যুক্ত করা যাবে। দেশটি বাংলাদেশ বলেই একটু অস্বস্তি আছে।

স্যাটেলাইটের প্রথম কাস্টমার আপাতত মনে হচ্ছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। বর্তমানে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো অ্যাপস্টার সেভেন নামের একটি বিদেশি স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে। বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ বাংলাদেশের প্রতিটি টেলিভিশন স্টেশন মাসে ২৪ হাজার ডলার খরচ করে। সেই হিসেবে বাংলাদেশের সবগুলো টেলিভিশন চ্যানেলের বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে মোট খরচের পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ ডলার। সে হিসেবে স্যাটেলাইট থেকে আয় করা সম্ভব, প্রথম থেকেই। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে অর্ধেক বিভিন্ন দেশের কাছে ভাড়া দেবার পরিকল্পনা আছে। বাকি অর্ধেক অর্থাৎ ২০টি ট্রান্সপন্ডার ব্যবহার করবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।

মূল সমস্যা যেখানে:

স্যাটেলাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা একটাই। সেটা হচ্ছে পরিচালনা কার্যক্রম। টেলিটক কিংবা দোয়েলের অবস্থা এক্ষেত্রে কল্পনা করা যায়।

প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ব্যবসা পরিচালনা করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।আমাদের দেশের আমলাতন্ত্রের গতিশীলতা এক্ষেত্রে প্রশ্নই উঠতে পারে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং আর এয়ারবাসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সে প্রযুক্তি এমিরেটস বা সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ব্যবহার করে। অথচ বিমানের অবস্থা কেমন বলুন তো?

প্রশ্নটির উত্তরের সঙ্গে আসলে ম্যানেজমেন্টগত স্কিল জড়িত। একটি স্যাটেলাইট তখনই হয়তো লাভজনক হবে যখন এটি দক্ষ পরিচালকদের হাতে পারবে।

কম্পিউটারে আলাদা করে ডেডিকেটেট গ্রাফিক্স কার্ড থাকার সুবিধা ও অসুবিধা !

একটি কম্পিউটার যেমন CPU ছাড়া অচল ঠিক তেমনি ভাবে একজন গেমার কিংবা ভিডিও এডিটরের জন্য গ্রাফিক্স কার্ড ফরয ।
গ্রাফিক্স কার্ড টা আপনার জরুরি হয় মূলত গেমিং এবং ভিডিও এডিটের জন্য । একটা চরম সত্য হচ্ছে আপনার PC এর গেমিং এবিলিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স কার্ড এর চাইতে বেটার অপশন আর কিছু নেই ।
উপকারিতা
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড চলমান দুটি বাস্তব সুবিধা আছে। প্রাথমিক কারণ গেম বৃদ্ধি কর্মক্ষমতা। 3D ইমেজ রেন্ডারিংয়ে দুই বা তার বেশি গ্রাফিক্স কার্ড ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে, পিসি গেমগুলি উচ্চ ফ্রেমের হার এবং উচ্চ রেজোলিউশনগুলিতে এবং অতিরিক্ত ফিল্টারগুলি সহ চলতে পারে। এই নাটকীয়ভাবে গেম গ্রাফিক্স মান উন্নত করতে পারেন। অবশ্যই, অনেকগুলি বর্তমান গ্রাফিক্স কার্ড 1080p রেজোলিউশন পর্যন্ত একটি গেম রেন্ডার করতে পারে। প্রকৃত সুবিধা হল 4K প্রদর্শনের মতো উচ্চ রেজোলিউশনগুলিতে গেমগুলি চালানোর ক্ষমতা যা প্রস্তাবটি চারবার প্রস্তাব করে বা একাধিক মনিটর চালাতে পারে।
অসুবিধা
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড চলমান বড় অসুবিধা খরচ হয়। শীর্ষস্থানীয় গ্রাফিক্স কার্ডগুলি ইতিমধ্যে $ 500 বা তার বেশি পরিমাণে পৌঁছানোর সাথে সাথে, অনেকগুলি ভোক্তাদের দ্বিতীয়টি সামর্থ্যের পক্ষে কঠিন। এটিআই এবং এনভিডিয়া উভয়ই দ্বৈত কার্ডের সামর্থ্যের সাথে কম দামের কার্ডগুলি অফার করে, তবে কম দামের গ্রাফিক্স কার্ডের তুলনায় সমান বা কখনও কখনও ভাল কর্মক্ষমতা সহ একক কার্ডে একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা ভালো।
আধুনিক গ্রাফিক্স কার্ড ক্ষুধার্ত শক্তি। একটি সিস্টেমের মধ্যে তাদের দুটি প্রায় ট্যান্ডেম চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি উচ্চমাত্রার গ্রাফিক্স কার্ডটি সঠিকভাবে কাজ করার জন্য 500-ওয়াট পাওয়ার সরবরাহের প্রয়োজন হতে পারে। এই দুটি কার্ডের মধ্যে প্রায় 850 ওয়াট প্রয়োজন শেষ হতে পারে। বেশিরভাগ ভোক্তা ডেস্কটপ যেমন উচ্চ ওয়াটেজ শক্তি সরবরাহ সঙ্গে সজ্জিত না। ফলস্বরূপ, একাধিক কার্ড চালানোর জন্য জাম্পিং করার আগে আপনার কম্পিউটারের ওয়েটেজ এবং প্রয়োজনীয়তাগুলির সাথে পরিচিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, একাধিক ভিডিও কার্ড চলমান আরো তাপ এবং আরো শব্দ উত্পাদন করে।
একাধিক গ্রাফিক্স কার্ড থাকার প্রকৃত কর্মক্ষমতা সুবিধা কম্পিউটার সিস্টেমের অন্যান্য উপাদানগুলির উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। এমনকি সর্বোচ্চ স্তরের গ্রাফিক্স কার্ডগুলির সাথেও, কম-প্রান্ত প্রসেসরটি গ্রাফিক্স কার্ডগুলিতে সরবরাহ করা তথ্যগুলির পরিমাণকে হ্রাস করতে পারে। ফলস্বরূপ, দ্বৈত গ্রাফিক্স কার্ডগুলি সাধারণত উচ্চ-শেষ সিস্টেমে সুপারিশ করা হয়।

গুগল কি যেকোন মুহূর্তে আপনার অবস্থান সনাক্ত করতে পারে?

পুরো ব্যাপারটা বোঝাতে গেলে অনেক কিছু বলতে হবে । আমি সংক্ষেপে কিছু কথা বলব। Location Detect করা হয় GPS(Global Positioning System) এর মাধ্যমে। এই ডিভাইসটি আপনি যেই স্থানে আছেন সেই স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ স্যাটেলাইট থেকে নিয়ে লোকেশান Calculate করে। এ জন্য কোন ইন্টারনেট Connection প্রয়োজন নেই। আর এটা মোবাইলসহ বিভিন্ন লোকেশান ট্র্যাকিং ডিভাইসে ইন্টারনালি ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। বর্তমানে GPS এর সাথে আরও অনেক আধুনিক ডিভাইসও ব্যবহার করা হয়।
এখন আসি গুগল কি করে?
আপনার ব্যবহৃত মোবাইলে অপশন আছে লোকেশান Enable/Disable এর অপশন আছে। Enable করলে তো এমনিতেই আপনার লোকেশান তারা যেনে যাবে। আর Disable করা থাকলেও গুগলের বিভিন্ন Third Party অ্যাপ আপনার লোকেশান সংগ্রহ করে থাকে। আর কোন অ্যাপ কিভাবে করে তা বোঝা এত সহজও না ।বিভিন্ন রিসার্চে দেখা গেসে এগুলো অনেক সময় Encrypted থাকে। গুগল একেবারে ক্লিয়ার করে তাদের লোকেশান ট্র্যাকিং সম্পর্কে ১০০% তথ্য দেয়ও না। এই লোকেশান অনেক ক্ষেত্রেই আপনার পরিবেশ অনুযায়ী অ্যাড দিতেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া Privacy, Security জনিত কাজেও ব্যবহার করা হয়। খুব ইম্পরট্যান্ট না হলে এগুলো তেমন ক্ষতির কিছু না।
আপনি যদি একান্তই এগুলো থেকে দূরে সরে থাকতে চান তাহলে এইসব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে থাকতে হবে। তা না হলে আপনি কখনই ১০০% Privacy আসা করতে পারেন না।
আপনি যদি Android phone ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে Google আপনাকে আপনার থেকে বেশি জানে।Google সবসময় আপনাকে track করছে। বিভিন্ন পদ্ধতিতে:

  1. আপনি GPS Location বন্ধ রাখলেও পেছন থেকে Operating system আপনার location Google কে পাঠাচ্ছে।
  2. আপনার mobile phone টা যেই tower এর সাথে linked, সেই tower এর unique ID Google এর কাছে যাচ্ছে, এতে করে আপনার location ওরা পাচ্ছে।
  3. আপনি যদি আপনার Internet চালু রাখেন, তখন আপনার জন্য যেই IP টা ধার্য্য করা হয়েছে সেটা থেকেও আপনার location টা আনুমানিক trace করতে পারছে। মনে রাখবেন আপনার জন্য ধার্য্য করা IP ওই সময়ের জন্য আপনারই। একই IP এই বিশ্বে অন্য কাওকে দেওয়া হয় না। এটাকে geolocation সিস্টেম বলে।
  4. Google শুধু আপনার location trace করছে না, আপনার mobile এ আসা সব message, Gmail এ আসা সব mail ও পরছে। Google খুব ভালো করেই জানে আপনার ব্যাংক account এর নম্বরটা কি আর এতে কত টাকা আছে।

আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব

আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব তো অস্বীকার করা যায় না। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করছে। কিন্তু এই ব্যাপারটার ভাল খারাপ দুইদিকই তো আছে। আমরা কিভাবে তা কাজে লাগাব তা আমাদের ওপর। কেউ কেউ এই সোশ্যাল মিডিয়ার জোরে অনেক এগিয়ে যান কিন্তু কেউ কেউ অহেতুক সমস্যাও ডেকে আনেন কোনো সময়। তবে আমার মতে বুদ্ধি করে ব্যবহার করতে পারলে সোশ্যাল মিডিয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেমন

  • আজকাল অনেকে দেখেছি বাড়িতে নিজে নিজেই ছোট ছোট ব্যাবসা শুরু করেছেন। আমার চেনা এরকম দুইজন মেয়ে আছে। কেউ নিজের হাতে গলার হার, কানের দুল এসব বানায়, কেউ কেক বানায়, তারপর ওটার ছবি তুলে দিয়ে দিল ফেসবুকে। ওইটা দেখে অনেক ক্রেতা এগিয়ে আসেন, এবং সেই ব্যবসা এরকমই বৃদ্ধি পেতে থাকে। এখানে সোশ্যাল মিডিয়া থাকায় তারা তাড়াতাড়ি ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের পারিপার্শ্বিক সমাজ, রাজনীতি, খেলা, ইত্যাদির ব্যাপারে আমরা খবর পেয়ে যাই। অবশ্যই ভুয়ো খবর আসে অনেক, কিন্তু সাবধানে চললে আমাদের ক্ষতি হবেনা।
  • খুব সহজে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারছি আমরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক নির্দিষ্ট পেজ থাকে যেখানে কেউ নিজের লেখা প্রকাশ করে থাকে, কিছু পেজ থাকে যেগুলো আমাদের পড়াশোনা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যাপারে অনেক সাহায্য করে। সোশ্যাল মিডিয়া না থাকলে হয়তো ব্যাপারটা এত সহজ হত না সবার কাছে।
  • অনেক দূরে থাকা বন্ধু, আত্মীয়দের সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হতে পারছি, তাতে সম্পর্ক থাকছে তাদের সাথে। সবসময় তো ফোনে কথা হয়না সবার সাথে, তবে কে কোথায় আছে সেটা অন্তত জানতে পারি।

কিন্তু আমরা অনেক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে নিজের মনে অশান্তি ডেকে আনি। এই যেমন ধরুন আপনি কোনও ছবি দিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে, কিন্তু আপনার নির্দিষ্ট কোনও প্রিয় বন্ধু সেটাতে কোনও লাইক বা কমেন্ট দিল না। এই নিয়ে অনেক মানুষকে দেখেছি আমি পুরো বিষণ্ণ হয়ে যেতে, সারাদিন শুধু এটাই ভাববে যে অমুক আমার ছবিতে লাইক দিল না, অমুক আমাকে ফলো করল না, তার মানে সে আমাকে পছন্দ করে না, ইত্যাদি। একবার আমার পরিচিত একটা মেয়ে মেয়েদের শ্লীলতাহানির ওপর কিছু কথা লিখেছিল। সে তার মনের অনুভূতি লিখেছে, কিছু খারাপ বা অসম্মানজনক লেখেনি। ওমনি কিছু মানুষ নানান কথা বলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দিল।

আচ্ছা বলুন, এই লাইক, ফলো, কমেন্ট, এইগুলো হচ্ছে একটি মাত্র আঙুলের স্পর্শে। কে সেই স্পর্শ করলো, কে করল না, তাতে কি খুব সমস্যা? জীবনে আসল সমস্যা এটা নয়। কারোর বাবা/মা অসুস্থ এটা হচ্ছে সমস্যা, কারো পরীক্ষা ভাল হল না এটা হচ্ছে সমস্যা, কেউ কোনও প্রিয়জন হারালেন এটা সমস্যা, কেউ খেতে পায় না, মাথার ওপর ছাত পায় না এটা আসল সমস্যা। গুরুত্বেরও একটা সীমা পরিসীমা থাকা উচিত।

ফেসবুকে সবচেয়ে বড় ভুলটি সাধারণ ব্যবহারকারীরা করে থাকেন?

ফেইসবুকে একজন ব্যবহারকারি যে সকল ভূল করে তার কিচ্ছু সাধারন আবার কিচ্ছু মারাত্নক ভূল হিসেবে গণ্য করা যায। তবে একটা বিষয় আমরা ভূলে যাই, যা কিনা আমরা মানতে চাই না। সোসিয়াল মিডিয়ায় অব্যশই আমরা আমাদের সুখ-দু:খের বিষয় গুলো শেয়ার করবো, কিন্তু সেটা একটা সীমার মধ্যে থেকে, প্রায়ই দেখা যায়, আমরা আমদের পারিবারিক বা ব্যাক্তিগত বিষয় গুলো এতটা আবেগ আর অস্বতি দিয়ে প্রকাশ করি যা কিনা অপরিচিত কারো কাছে সেটা আমাদের দুবলতা প্রকাশ করে। এতে শুধু আমাদের দুবলতাই প্রকাশ পায় না, বরং অনেক সময় বিপদের কারন ও হয়ে দাড়ায়।

অনেক সময় নতুন বা অপরিচিত কাউকে বন্ধু বানানোর পর তার সাথে ব্যাক্তিগত তথ্য শেয়ার করা, নিজের পাসওয়াড, মেইল, ফোন নাম্বার, এড্রেস ইত্যাদি শেয়ার করা।

ব্যাক্তিগত ছাড়াও অনেক এ ব্যবসায়িক লেনদেন করে থাকেন, কোন রকম যাচাই-বাচাই ছাড়া, যা কিনা মারাত্বক ভূল।

আমরা যে সোষিয়াল মিডিয়াই ব্যবহার করি না কেন, আমাদের উচিত সতক থাকা।

স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে রুট (Root) করা কি জিনিস?

রুট কথাটা সাধারণত এন্ড্রয়েড এর সাথে জড়িত। iOS এ একে জেল-ব্রেক বলা হয়ে থাকে। দেখতে গেলে দুটি মূলত একই জিনিস। এন্ড্রয়েড যদিও বা, iPhone এর মতন জেলে বসবাস করে না, তবুও, রুটিং আপনাকে সেটুকু থেকেও মুক্ত হতে সাহায্য করতে পারে।

রুট করা মানে কি জানতে হলে, প্রথমে আমরা জেনে নেব রুটের অস্তিত্বের কারণ আর এটি ঠিক কিভাবে কাজ করে। কারণ এন্ড্রয়েড হলো একটি অনুমতি-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম – ঠিক লিনাক্স-এর মতন, সঠিকভাবে বলতে গেলে। এন্ড্রয়েডের প্রতিটা ফাইল, প্রতিটা ফোল্ডার, প্রতিটা পার্টিশন-এর নিজস্ব এক গুচ্ছ পারমিশন (বা, অনুমতি) আছে। এবং এই অনুমতিগুলোই ঠিক করে, কে একটি ফাইল পড়তে পারবে, কে একটি ফাইলে পরিবর্তন করতে পারবে এবং কে একটি ফাইল চালাতে ( বা, রান করতে) পারবে। এই জিনিসটি করা হয় ব্যবহারকারীর কাছে অনুমতি কি কি আছে, তার ওপর ভিত্তি করে।

আপনি যখন আপনার ফোনটি চালু করে প্রথমবার প্রোফাইল বানাচ্ছেন, আপনাকে এন্ড্রয়েড দেয় একটি অনন্য UserID। সেরকম এ প্রত্যেকটা এপ্লিকেশন যখন ইনস্টল হয়, তখন প্রত্যেকটি একটি করে অনন্য UserID পেয়ে যায়। এই UserID র ওপর ভিত্তি করেই এন্ড্রয়েড ঠিক করে কার কতটা অনুমতি প্রাপ্য। এক্ষেত্রে আপনার userID টিকেই সবচাইতে বেশি অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু ভেবে বসবেন না, আপনার মাথার ওপর কেউ নেই। আপনার মাথার ওপর রয়েছেন SuperUser বা SU যেটিকে “/” ভাবেও লেখা হয়ে থাকে। SuperUser সবার মাথা, সে সব করতে পারে – এমন এমন জিনিস যেগুলো মোবাইল নির্মাতারা আপনার থেকে লুকিয়ে রেখেছে সেগুলোও সে দেখতে পারে। লুকিয়ে রাখার অবশ্য কারণ ও আছে। একটু ভুল চুক হলেই, মুহূর্তের মধ্যে আপনার ফোন অকেজো হয়ে যেতে পারে। তবে বুঝে শুনে ব্যবহার করতে পারলে, সেই মুক্তির তুলনা হয়না।

এই SuperUser টিকে সযত্নে লুকিয়ে রাখে নির্মাতারা। রুটিং হলো জোর করে আপনার সাধারণ UserID টি বদলে, আপনাকেই SuperUser বানানো। আপনিই তখন আপনার ফোনের সর্বেসর্বা।

এবার আসা যাক সুবিধা গুলোতে –

  • সব চাইতে প্রথম, আপনার ফোন থেকে অযথা বাজে appগুলো, যাকে Bloatware বলা হয় এবং যেগুলি মোছা অবধি যায় না, সেগুলো মুছে ফেলতে পারবেন সহজেই।
  • নিজের মতন করে আপনি আপনার ফোনটিকে customize করতে পারেন, যা সাধারণত রুট করার আগে সম্ভব হতো না।
  • রুট সংক্রান্ত অনেক এমন app আপনি হাতে পেয়ে যাবেন, যেগুলো আপনার কাছে এমন সব সুবিধা নিয়ে আসবে, যা সাধারণত কোনোদিন আপনি পেতেন না।
  • আপনি জেমন আপনার system নিজের ইচ্ছে মতন update করতে পারবেন, আবার পুরো system টা মুছে ফেলে, সম্পূর্ণ নতুন কোনো অপারেটিং সিস্টেম লাগিয়ে ফেলতে পারেন আপনি আপনার ফোনে। এইগুলি কেই বলা হয় কাস্টম ROM। আপনার ফোনের সাথে আসা সিস্টেম কে বলা হয় Stock ROM।

এবার কিছু ভয়ঙ্কর রকমের অসুবিধা গুলি দেখা যাক:

  • রুট করা মানে, প্রায় সব ফোনেরই Warrenty ওখানেই শেষ। নির্মাতা আর আপনার ফোন ছুঁয়েও দেখবে না।
  • রুট করা মানে আপনার ফোনে যে নিজেথেকে Update গুলি আসতো, তা আর আসবে না। আপনার ফোনের দায়িত্ব সম্পূর্ণ আপনার। security patch থেকে system update সব আপনাকে নিজে হাতে করতে হবে। SuperUser হয়েছেন, এইটুকু কাজ তো করতেই হবে।
  • রুট করার পর ভুল ভাল কিছু করে ফেললেই ফোনটি যাবে অকেজো হয়ে, অথবা এমন কিছু কান্ড হবে, যার দরুন আপনার ফোনটিকে ব্যবহার করা অসাধ্য হয়ে যাবে। তখন আবার আপনাকে সব কেঁচে গন্দুস করে, নতুন করে সিস্টেম লাগিয়ে শুরু করতে হবে।

রুটিং নিয়ে অনেক কথাই চলে আসে আলোচনার মধ্যে। তবে একটা কথা বলা যায়। আজকাল এন্ড্রয়েড এতটাই উন্নত হয়ে গিয়েছে, যা রুটিং না করলেও আরাম করে ব্যবহার করা যায়। রুটিং করতেই হলে, এমন কোনো ফোনে করুন, যেটি আপনার প্রাথমিক ফোন নয়।

দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করার মতন ভাল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলো !

বর্তমানে ইন্টারনেটের নতুন ট্রেন্ড হলো মিনিমালিস্টিক ডিজাইন।

এই ডিজাইনের এপ্লিকেশনে ইন্টারফেস হয় সাধারণ, বোধগম্য সব বয়সের লোকের জন্য, বেশি হিজিবিজি নয়, বিজ্ঞাপনগুলো সীমিত এবং বিরক্তিকর নয়। এই ধরণের এপ্লিকেশনে মাথায় ফালতু চাপ কম পরে। তাই এরকম এপ্লিকেশন আমি বেশি পছন্দ করি। আমার দৈনন্দিন জীবনের ব্যাবহার করা অ্যাপ হলো,

  • এডোবি রিডার
  • আমাজন প্রাইম ভিডিও
  • আমাজন কিন্ডল
  • ব্রেইন ফোকাস
  • ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং
  • ফাইন্ড ডিভাইস
  • ফ্লাড
  • গুগল ফিট
  • গুগল পে
  • কিপ নোটস
  • কিপ যোগা
  • নাইকি রানিং+
  • পিন্টারেস্ট
  • প্রাণা ব্রিদ
  • রেট্রো মিউজিক প্লেয়ার
  • ঠান্ডার ভিপিএন
  • ইয়ার ইন পিক্সেল

সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য আমি অনুরোধ করবো কোনো এপ্লিকেশন ব্যাবহার না করতে, যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, মেসেঞ্জার, কোরা (হ্যা কোরাও) ইত্যাদি। ক্রোম ব্রাউজার ব্যাবহার করুন। প্রথমে অসুবিধে হবে কিন্তু পরবর্তীতে দেখবেন কম সময় নষ্ট করছেন।আর একমাত্র আমাজন প্রাইমের বেলায় আমার মনে হয়েছে আমার টাকা যথোপযুক্ত খরচ হয়েছে, সম্পুর্নরূপে কোনো বাজে খরচ নয়।

আরো অনেক আছে, কিন্তু এগুলো সচরাচর আমি কাউকে ব্যবহার করতে দেখিনা কিন্তু আমি নিজে অনেক উপকার পেয়েছি।