ডিপ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসার উপায় ! নিজেই নিজেকে কিভাবে সাহায্য করবেন ?

কিছুক্ষণ হলো একজনকে এমনই কথা বলছিলাম। বেশি কিছু না, ডিপ্রেশন যে কারণে হয় বা যে বস্তুর দ্বারা হয় অথবা প্রেমঘটিত হোক যাই হোক সেগুলোকে এড়িয়ে চলুন। যা যা এড়িয়ে চলার জন্য লাগে সে সব উপাদানকে দূরে সরিয়ে রাখুন।

দ্বিতীয়ত, নিজেকে মানসিকভাবে নিজের সাপোর্ট দেওয়াটা অতি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি যে আসলে সবার চেয়ে আলাদা এবং ইউনিক যা আপনাকে প্রশান্তি দিবে।

তৃতীয়ত, একটা মুভি দেখুন কষ্ট করে হলেও, বিজি থাকবেন সে পৃথিবীতে। এটা আমার ক্ষেত্রে কাজে দেয় বেশ-যতোবারই ডিপ্রেশন ততোবারই মুভি আমার জন্য। যেমন আমার ১৩ তারিখ এক্সাম, এই চিন্তায় বাচি না ডিপ্রেশনে বাট একটা মুভি দেখলাম “দ্যা গ্রিন বুক” বেশ ভালোই লাগছে দেখার পর এবং রিলাক্স হতে পারছি।

চতুর্থত, এর বাহিরে গেলে একটু নিজেকে বাহিরে বের করুন ঘর থেকে এবং নিজেকে খুব বিজি রাখিন যেকোনো কাজে, পারিশ্রমিক কাজে মানুষের ডিপ্রেশন থাকে সবচেয়ে নগণ্য পরিসরে। আমি মাঝে মাঝে এই যাত্রায় ব্যায়াম করি ও ফুটবল খেলি যা আমার মানসিক অবস্থাকে ব্যস্ত রাখে চরমভাবে। মানুষের সাথে আড্ডা, ঘুরাফিরা, পরিবারের মানুষের সাথে হাসি মজা করুন বা আড্ডা দিন। এটি আপনাকে একেবারেই রিলাক্স করে ফেলবে। আমি ভার্সিটির অন্যান্য কাজে যখন খুব প্রেসার খাই বাসায় এসে মায়ের সাথে অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে বেশ জোরে সোরে হাসি ঠাট্টা করি আর কথা বলি, শেয়ার করি কিছু জিনিস। অবিশ্বাস্য এটা উলটো আত্নবিশ্বাস দেয় আমাকে।
কিছু বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছি । একটু চেষ্টা করে দেখতে পারেন ..

  1. খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে দৌড়ান । জিমে যান ,ভারী ব্যায়াম করুন । শরীরের উপর প্রেসার দিন । শরীরকে যত পারেন কষ্ট দিন । এই ব্যাপারটা আপনার মন কে শান্ত করবে । সারাদিন খুব ভালো ফিল করবেন ।
  2. ফেসবুক , হোয়াটস অ্যাপ সহ সকল সোস্যাল মিডিয়া কাস্টোমাইজ করে ব্যাবহার করুন । অপ্রয়োজনে এসব ব্যাবহার করবেন না । গত এক বছর ফেসবুক ব্যাবহার অনেক কমিয়ে দিয়েছি ।
  3. বই পড়ুন । ভালো বই পড়লে দেখবেন আপনার ফিলিংস হবে এরকম আজকে সময়টা বেশ কাজে লাগালাম।
  4. পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন । দূধ,কলা ,ডিম ,মাছ এসব খাবার চেষ্টা করুন নিয়মিত । আমাদের ব্রেইন একটিভ থাকার জন্যে ডোপামিন নামক হরমোন দরকার পরে । এই ডোপামিন উপরের ওই খাবারে পাবেন । এটা আপনার ব্রেইন এর নিউরন সচল রাখবে , হতাশ হতাশ ফিলিংস টাও থাকবে না ।
  5. পরিমিত মাত্রায় চিনি খাবেন , যত টুক না খেলেই না এমন আর কি । অতিরিক্ত চিনি অনেক সময় ব্রেইন কে ব্লক করে দেয়।
  6. ইন্টারনেট এ হাবিজাবি দেখা বন্ধ করুন ,সব কিছুর একটা মাত্রা আছে । নিশ্চয় বুঝেছেন কি বলতে চেয়েছি ! সব কিছু খুলে বলতে হবে নাকি ?
  7. পরিমিত মাত্রায় ঘুমের অভ্যেস করুন ,না ঘুমিয়ে মোবাইল টিপে নিজের ব্রেইন টাকে খাবেন না ।
  8. খুব গুরত্বপূর্ণ নেগেটিভ মাইন্ড এর মানুষ থেকে যত সম্ভব দূরে থাকুন । এই মানুষ গুলো যেই হোক না কেনো ? হতে পারে আপনার কাছের খুব ভালো বন্ধু , বোন, বড় কেউ আপনাকে মানুষিক ভাবে খাবার জন্য এদের মুখ থেকে বের হওয়া দুই এক লাইন ই যথেষ্ট
  9. নিজের মানুষিক আর শারিরীক স্বাস্থের যত্ন নিন …. !